সোহেল আহমেদ '
চাদঁপুরের মাটি থেকে মেঘের দেশে উড়ার গল্পটা শুনতে চাই। আপনার শৈশব ও জন্মস্থান নিয়ে কিছু বলুন।
মেহজাবীন তুবা: আমার জন্ম নদীর দেশ চাঁদপুরের জেলা সদরে। বাবা মা দূুই বোন এক ভাই। সপরিবারে কানাডায় বাস করছেন তুবা। চাঁদপুর শহরের সেই সোনালী শৈশব আর খোলা আকাশই আমাকে ছোটবেলা থেকে ডানা মেলার স্বপ্ন দেখাা।
ঊড্ডয়ন পেশাকে বেছে নেওয়ার অভিজ্ঞতা কেমন?
মেহজাবীন তুবা: উড্ডয়ন আমার কাছে শুধু একটি পেশা নয়, এটি আমার ফ্যাশন ও শখ। ককপিটে বসে নীল আকাশে ডানা মেলা এবং মেঘের ওপর দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর মাঝে যে রোমাঞ্চ ও তৃপ্তি আছে, তা অন্য কোনো কিছুতেই পাই না।
জীবনের এই অর্জনে আপনার পরিবারের ভূমিকা কেমন ছিল?
মেহজাবীন তুবা:
আমার আজকের এই অবস্থানের পেছনে বাবা-মার অবদান সবচেয়ে বেশী।-বোন ও বাবা-মার অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দিকনির্দেশনা।
আপনার মন পড়ে থাকে সাধারণ মানুষের মাঝে। সামাজিক কাজ নিয়ে আপনার চিন্তাভাবনা কী?
মেহজাবীন তুবা:
নিজের ক্যারিয়ার গঠনের পাশাপাশি হৃদয়ের এক কোণে সবসময় তাগিদ অনুভব করি অসহায়, এতিম ও দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। আকাশে ওড়ার শক্তি দিয়ে আমি বাস্তবে ভূমির মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই।
বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন।
বৈবাহিক অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
মেহজাবীন তুবা: বর্তমানে আমি ক্যানাডায় অবস্থান করছি এবং এককভাবে পেশাগত দক্ষতার উন্নয়নে মনোযোগ দিচ্ছি, বৈবাহিক সূত্রে আমি এখনো অবিবাহিত। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হলো পাইলট হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করা এবং আকাশপথে যাত্রীসেবার পাশাপাশি নিজের অর্জিত সামর্থ্য দিয়ে অসহায় মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করা।