রিমি কবিতা :
ইলিশের চাহিদা ১৫ হাজার মেট্রিকটন কিন্তু সংগ্রহ করা যায় মাত্র ২ হাজার মেট্রিকটন।
এতে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার নাগালের বাইরেই থেকে যায় জাতীয় মাছ ইলিশ।
অথচ, প্রতি বছর অন্য রাষ্ট্রে উপহার হিসেবে বেশ বড় অংকের ইলিশ যায় এদেশ থেকে।
মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, কীট মানে একেবারে বাচ্চা ইলিশ সহ অসংখ্য মাঝারি ইলিশ কারেন্ট জালে ধরা পড়ে। এ নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের গাফলতি রয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
এছাড়া নিষিদ্ধ সময় অর্থাৎ ইলিশের ডিম পাড়ার মৌসুমেই সাগর থেকে এই মাছ নদীতে আসে।
নদীর স্রোতে এবং মিঠাপানিতে এসে মাছের স্বাদ এবং আকৃতির পরিবর্তন ঘটে, যার ফলে দাম বেড়ে যায়। ভিন্ন নদীর ইলিশের স্বাদে ভিন্নতা রয়েছে বলে জানান মাছ ব্যবসায়ীরা। চাঁদপুরের ইলিশই সবচেয়ে বেশি স্বাদ বলে তারা অভিমত প্রকাশ করেন। এছাড়াও পদ্মা সহ ভোলার ইলিশ ও স্বাদে অনন্য।
বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ অথচ ক্রয়ক্ষমতার নাগালে নেই সাধারণ মানুষের।
প্রাকৃতিক ভাবে এই ইলিশ মাছ এ দেশের সম্পদে পরিণত হয়েছে। পোনা কিংবা মৎস্য খাদ্য কোনোটারই প্রয়োজন হয় না ইলিশের ক্ষেত্রে। তবুও উচ্চমূল্য হওয়ায় সাধারণ মানুষ এই মাছ থেকে দিনের পর দিন বঞ্চিত।
প্রশাসনের সঠিক নজরদারি এবং রাষ্ট্রীয় সঠিক তত্ত্বাবধানে ইলিশের সংগ্রহ এবং বাজারজাত করতে পারলে দাম কমে সাধারণ মানুষের মোটামুটি চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে মনে করেন মৎস্য ব্যবসায়ীরা।