August 24, 2026, 1:19 am
শিরোনাম:
কিশোরগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতার উপর হামলা ভৈরবে সাবেক কাউন্সিলর আল-আমিন সৈকতকে কুপিয়ে হত্যা নয়াপল্টনের ‘সংগ্রামী ঠিকানা’ থেকে দলের শীর্ষ পদ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্বে রিজভী আহমেদ *তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ* লাল সবুজের দেশের সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি হলেন আবুল কালাম মল্লিক বেলাবোতে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ভৈরবে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের পৃথক পৃথক অভিযানে ৩৬ পিস ইয়াবা সহ ২ জন কে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আটক করে জেল জরিমানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলায় ৪০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলিযুক্ত চিংড়ি বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ৫০ কেজি চিংড়ি ধ্বংস শিবচর-পাচ্চর সড়কের পাশে গাছ কাটার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।

ভৈরবে সাবেক কাউন্সিলর আল-আমিন সৈকতকে কুপিয়ে হত্যা

Reporter Name

 

রিপোর্ট: শামীম আহমেদ
কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আল-আমিন সৈকত দুর্বৃত্তদের নৃশংস হামলায় নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে ভৈরব বাজারের টিনপট্টি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও ঘনিষ্ঠজনদের সূত্রে জানা যায়, ধারালো অস্ত্র দিয়ে আল-আমিন সৈকতকে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ঢাকার উদ্দেশে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
হামলার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। একই সময়ে তাঁর জন্য জরুরি AB+ রক্তের প্রয়োজন জানিয়ে রক্তদাতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। কিছু সময় তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ালেও পরে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।
আল-আমিন সৈকত ভৈরবপুর উত্তরপাড়ার আড়াই বেপারি বাড়ির ব্যবসায়ী জসিম মিয়ার ছেলে। তিনি ভৈরব পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ভৈরব পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক পরিচালক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে ভৈরবজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলের নেতাকর্মীরা এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
তবে কী কারণে এবং কারা আল-আমিন সৈকতের ওপর হামলা চালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।
একজন সাবেক জনপ্রতিনিধির ওপর প্রকাশ্যে এমন নৃশংস হামলা ভৈরবের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করবে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করবে।
আল-আমিন সৈকতের মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার এখন ভৈরবাসীর দাবি।
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।