September 12, 2026, 10:37 am
শিরোনাম:
ভৈরবে রুবেল হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামি গ্রেপ্তার গভীর রাতে মানুষের দুয়ারে এমপি হানজালা, হাতে খাবারের প্যাকেট রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ব্যপক অনিয়ম ও দূর্নীতি পর্ব ১ হারানো বিজ্ঞপ্তি ***হারানো বিজ্ঞপ্তি*** এনসিপির মাদারীপুর জেলা আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন শীর্ষ দুই পদে তুষার-রোমান, সাংগঠনিক দায়িত্বে শিবচরের দুর্জয় গফরগাঁওয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনে ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি ব্রহ্মপু্ত্রের গর্ভে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা ভাটারা এলাকায় গাড়ি আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে ডিএ কর্পোরেশনের প্রোপাইটার শিশির গ্রেপ্তার। চিত্রনায়ক সালমান শাহের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অভিযুক্তদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে জোরালো আন্দোলন ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত রাজারহাটে তিস্তায় বসতভিটা হারানো দু:খী রাবেয়ার পাশে দাড়ালেন মানবিক ইউএনও তানজিলা তাসনিম

ভৈরবে রুবেল হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

Reporter Name

 

এম আর ওয়াসিম ভৈরব) কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ২০১২ সালের বহুল আলোচিত রুবেল মিয়া হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ভৈরব থানার চণ্ডীবের দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত আবদুল বাতেন মিয়ার ছেলে জয়নাল মিয়া (৪৫) এবং একই এলাকার সৈয়দ হোসেন ওরফে শহীদ হোসেনের ছেলে আক্তার হোসেন (৩৮)।

র‌্যাব-১৪, সিপিসি-২ ভৈরব ক্যাম্পের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৫০ মিনিট থেকে শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ১টা ২০ মিনিটের মধ্যে ভৈরবের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে রুবেল হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র‌্যাব ও মামলার তথ্য সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ মার্চ সন্ধ্যায় রুবেল মিয়ার সঙ্গে আক্তার হোসেনের কথা-কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ওই দিন দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে রুবেলকে পলতাকান্দা বিলে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার পর লাশ বিলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরদিন ৫ মার্চ ভৈরব থানা পুলিশ পলতাকান্দা বিল থেকে রুবেল মিয়ার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় রুবেলের বাবা বাবুল মিয়া বাদী হয়ে ভৈরব থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় আক্তার হোসেন, জয়নাল মিয়া ও শাহীন মিয়াকে আসামি করা হয়।
দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে গত ৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আদালত মামলার তিন আসামি আক্তার হোসেন, জয়নাল মিয়া ও শাহীন মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায়ের পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পলাতক ছিলেন। তাঁদের গ্রেপ্তারে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জয়নাল মিয়া ও আক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভৈরব থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব। র‌্যাব-১৪ জানিয়েছে, এ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অপর পলাতক আসামিসহ অন্যান্য অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।