সোহেল আহমেদ :
খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ে ও প্রশাসনে এপিএস আবদুল আউয়াল বুলবুলসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপকর্ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির তথ্যাবলি সংবলিত বিস্তারিত প্রতিবেদন তুলে ধরা হলো:
এপিএস আবদুল আউয়াল বুলবুলের ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্থানীয় তদারকির বলয় তৈরি অগোচরে সফরসূচি ও পরিদর্শনের ক্ষমতা প্রদর্শন:
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানমকে না জানিয়ে গত ১১ অক্টোবর টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও খাদ্যগুদামে সরকারি সফরসূচি তৈরি করে তা তদারকি করতে যান তাঁর এপিএস মো. আবদুল আউয়াল বুলবুল। মন্ত্রীর অনুপস্থিতি ও অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও সফরটিতে সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করা হয়।
সরকারি সম্পদের অনুচিত ব্যবহার:
এপিএসের সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকার মোহাম্মদপুরের নিজ বাসভবন থেকে যাতায়াত, ফুয়েল বরাদ্দসহ যানবাহনের জ্বালানি নিশ্চিতে খাদ্য অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের পরিচালককে অনুলিপি পাঠানো হয়।
প্রভাব বিস্তার ও তদবিরের বলয় গঠন:
অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, খাদ্য মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই আবদুল আউয়াল নিজের এলাকা মানিকগঞ্জসহ মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তর ও প্রশাসনিক শাখায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক তদবিরের নিজস্ব বলয় গড়ে তোলার অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন।
সহযোগীদের নোটিশ ও অব্যাহতি: এ অনিয়মের ঘটনায় এপিএস আবদুল আউয়াল বুলবুলকে দায়িত্ব থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং সফরসূচি তৈরিতে প্রত্যক্ষ সহযোগিতার অভিযোগে মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিএ) মো. রফিকুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শো-কজ) প্রদান করা হয়।
বিস্তারিত আসছে :